প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ১২, ২০২৬, ১২:২৮ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুন ১১, ২০২৬, ১০:০৯ অপরাহ্ণ
ঝিনাইদহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল বাস্তবায়নে আশার আলো, বিতর্ক নয়’ উন্নয়নই লক্ষ্য
ইনছান আলী ,ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন—একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। এই স্বপ্নকে ঘিরে অতীতে বহু জল্পনা-কল্পনা হয়েছে, বহু প্রতিশ্রুতি এসেছে এবং গেছে। কিন্তু দিনশেষে প্রাপ্তির খাতা শূন্যই রয়ে গেছে, যা আজ এক চরম ও নির্মম বাস্তবতা। তবে এবার আর কেবলই ফাঁকা বুলি বা কাগুজে স্বপ্ন নয়; ঝিনাইদহের এই দীর্ঘদিনের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে আলোর দিশারী হয়ে আবির্ভূত হয়েছেন এক ‘স্বপ্নের ফেরিওয়ালা’। তিনি আর কেউ নন—আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান, এমপি।
একটি আধুনিক, উন্নত ও সমৃদ্ধ ঝিনাইদহ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে দিনরাত নিরন্তর ছুটে চলেছেন এই কর্মবীর। তাঁর এই পথচলা ঝিনাইদহবাসীকে দেখাচ্ছে নতুন এক ভোরের স্বপ্ন।
দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং আগামীর ঝিনাইদহ
রাজনীতি ও সমাজসেবায় এমন কিছু ব্যক্তিত্বের আগমন ঘটে, যাঁরা পাল্টে দেন অবহেলিত কোনো জনপদের ভাগ্যলিপি। ঝিনাইদহের মানুষ মনে করেন, মন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান ঠিক তেমনই একজন বিরল ও ক্ষণজন্মা মানুষ। আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহে এমন মেধাবী, চৌকস, দূরদর্শী, সৎ, ন্যায়নিষ্ঠ এবং মানবিক গুণসম্পন্ন জননেতা ১০০ বছরে দু-একজন জন্ম নেন। আগামী এক শতাব্দীতে ঝিনাইদহ মাটি ও মানুষ আর একজন আসাদুজ্জামান পাবেন কি না, তা নিয়ে বিস্তর সন্দেহ রয়েছে।
তিনি ভালো করেই জানেন—কখন, কোথায় এবং কীভাবে জেলার উন্নয়নের চাকা সচল করতে হবে। তাঁর হাত ধরেই ঝিনাইদহে শুরু হতে যাচ্ছে উন্নয়নের এক নতুন মহোৎসব। তবে এই অগ্রযাত্রাকে সফল করতে প্রয়োজন একটু ধৈর্য, সহনশীলতা এবং কাজের সুষ্ঠু পরিবেশ।
ঝিনাইদহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল শৈলকুপা হোক আর হরিনাকুন্ডু হোক—সেটি বড় কথা নয়। বড় কথা হলো, মেডিকেল কলেজটি আমাদের ঝিনাইদহ জেলার বুকেই হচ্ছে।
স্থান নির্ধারণ নিয়ে বিতর্ক নয়, লক্ষ্য হোক বাস্তবায়ন
মেডিকেল কলেজের মতো একটি মেগা প্রজেক্টের স্থান নির্ধারণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা চায়ের কাপে ঝড় তোলা বা নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি করা কোনো বুদ্ধিমানের কাজ হতে পারে না। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত বিতর্ক বা প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে এই সুবর্ণ সুযোগকে হাতছাড়া করা যাবে না।
মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালটি শৈলকুপাতেই হোক কিংবা জেলার যেকোনো যৌক্তিক স্থানেই হোক না কেন—দিনশেষে এর সুফল ভোগ করবে পুরো ঝিনাইদহ জেলার সাধারণ মানুষ। উন্নত চিকিৎসাসেবা এবং উচ্চশিক্ষার দ্বার উন্মোচিত হবে এই জনপদের প্রতিটি ঘরে। তাই স্থান নির্ধারণের মতো নীতিগত সিদ্ধান্তটি সম্পূর্ণ কর্তৃপক্ষের ওপর ছেড়ে দেওয়াই শ্রেয়।
উন্নয়নের রোল মডেল হওয়ার প্রত্যয়
উন্নয়নের এই যাত্রামোহনায় দাঁড়িয়ে আজ ঝিনাইদহবাসীর প্রতি একটাই আহ্বান—আসুন, আমরা সব ধরনের সংকীর্ণতা ও বিতর্ক ভুলে একতাবদ্ধ হই। মন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামানকে কোনো বাধা ছাড়াই ঝিনাইদহের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করার সুযোগ করে দিই।
অহেতুক কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি বন্ধ করে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করলে এবং প্রিয় নেতাকে সহযোগিতা করলে, অদূর ভবিষ্যতেই ঝিনাইদহ জেলা হবে বাংলাদেশের মধ্যে উন্নয়নের অন্যতম প্রধান ‘রোল মডেল’। নেতিবাচকতা পেছনে ফেলে, ইতিবাচকতা বুকে নিয়ে ঝিনাইদহ এগিয়ে যাক তার কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে—এটাই এখন সাধারণ মানুষের একমাত্র প্রত্যাশা।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এস আর নিরব। Office: ২০৫/৪, খান প্লাজা, (লিফটে ৭ রুম নং -৯ সি) ফকিরাপুল, কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা ১০০০, Mobil: 01713-086019
ই-পেপার