প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ১০, ২০২৬, ৪:৪৯ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুন ১০, ২০২৬, ১২:৫৯ অপরাহ্ণ
মুন্সিগঞ্জ রামপালে জমি সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জেরে হামলার অভিযোগ।

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি - মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার রামপাল ইউনিয়নের পশ্চিম কাজি কসবা এলাকায় জমি সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জেরে মোঃ কেরামত আলীর পুত্র রানার (৩৯) ওপরে হামলার অভিযোগ উঠেছে।
গত ০৯ জুন মঙ্গলবার রাত আটটায় রামপাল ইউনিয়ন পশ্চিম কাজি কসবা এলাকায় জমি সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জেরে মোঃ কেরামত আলী ছেলে মোঃ রানার ওপরে হামলার এঘটনা ঘটে।
আহত এঘটনায় অভিযুক্ত মোঃ রানা বলেন, বিবাদী ১। মোঃ তারা মিয়া (৬৫), পিতা- মোঃ জুলহাস বেপারী, ২। আরমান (৩৪) পিতা- তারা মিয়া, ৩। ইকবাল ওরফে সিটি ইকবাল (২৮) পিতা- মোঃ তারা মিয়া, ৪। বৃষ্টি বেগম (২৬) স্বামী-আরমান, সর্বসাং- পশ্চিম কাজী কসবা, ইউপি- রামপাল, থানা ও জেলা- মুন্সীগঞ্জসহ অজ্ঞাতনামা ২/৩ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি যে,
বিবাদীগন দীর্ঘনিদ যাবৎ আমার বাড়ী দখলে চেষ্টা করে আসছিল। বিবাদীগন ভয়ে আমরা আমাদের পৈতৃক বাড়ীতে ডুকতে পারিনা এবং কিছুদিন পরপর তারা আমাদের মারধর করে আমাদের পৈতৃক বাড়ী থেকে বের করে দেয়। অদ্য ০৯/০৬/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ রাত্রি অনুমান ০৮:০০ ঘটিকার সময় মুন্সিগঞ্জ সদর থানাধীন রামপাল ইউনিয়নের পশ্চিম কাজী কসবা সাকিনস্থ আমার নিজ বাড়িতে গিয়ে বাসার ভিতরে কাজ করাকালে বিবাদীগন বেআইনি জনতাবদ্ধে অনধিকার প্রবেশ করে, চাকু, চাপাতি ও রড দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে আমাকে মারধর করে। ১নং বিবাদীর হাতে থাকা চাপাতী দিয়ে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় কোপ মারিলে মাথার সামনে নাকের উপরে লেগে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়।
২নং বিবাদীর হাতে থাকা রড দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে আমার মাথায় বারি মারিলে বাম চোখে লেগে রক্ত জমাট ফুলা জখম হয়। ৩নং বিবাদীর হাতে থাকা চাকু দিয়ে আমাকে কে হত্যার উদ্দেশ্যে কোপ মারিলে হাত দিয়ে ঠেকানোর সাময় বাম হাতের বৃদ্ধা আঙ্গুলের গোড়ালিতে লেগে রক্তাক্ত কাটা জখম হয়। আমার প্যান্টের পকেটে থাকা সুতার ব্যবসার নগদ ১,৫০,০০০/-(এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা ৩নং বিবাদী নিয়ে নেয়। আমার ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে বিবাদীগন অকথ্যভাষায় গালিগালাজ, বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি ও সুযোগমত পেলে হত্যা করে লাশ গুম কারার প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে আশপাশের লোকজন সহায়তায় আমি চিকিৎসার জন্য মুন্সিগঞ্জ সদর জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা গ্রহন করি। সদর জেনারেল হাসপাতালে থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহন শেষে উল্লেখ্য ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে ও আমার পরিবারের সদস্যদের সাথে আলাপ আলোচনা করে থানায় এসে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি।
এবিষয়ে হাতিমারা পুলিশ ফাড়ি তদন্ত কেন্দ্র এসআই সমর রায় বলেন, একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্তে সাপেক্ষে আইননুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এস আর নিরব। Office: ২০৫/৪, খান প্লাজা, (লিফটে ৭ রুম নং -৯ সি) ফকিরাপুল, কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা ১০০০, Mobil: 01713-086019
ই-পেপার