প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ১০, ২০২৬, ৭:০১ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুন ১০, ২০২৬, ৮:১৭ পূর্বাহ্ণ
ইসলামী ব্যাংক ইস্যুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যকে চ্যালেঞ্জ করলেন বিরোধীদলীয় নেতা

ইসলামী ব্যাংক নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় ইসলামী ব্যাংক থেকে ৭০০ কোটি টাকার ঋণ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যকে চ্যালেঞ্জ করেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে জামায়াতের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে অভিযোগ করে জামায়াত আমির বলেন, তিনি (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) যেসব অভিযোগ আনলেন যেকোনো একটা দলের দিকে ইঙ্গিত করে। একেবারে নাম বলে দিলেই পারতেন জামায়াতে ইসলামী। মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা তার আগের আলোচক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের বক্তব্যের জবাব দেন।
জামায়াত আমির বলেন, ‘৭০০ কোটি টাকার লোন (ঋণ) কে নিয়েছে, এটা কোনো একটা দলের নির্বাচন ফান্ডে (নির্বাচনি তহবিলে) ফান্ডিং করা হয়েছে। আমি এটা পরিষ্কার জানতে চাই, উনি এটার মাধ্যমে জামায়াতকে বুঝিয়েছেন কি না। যদি উনি এটাই মিন করে থাকেন, আই অ্যাম টেকিং অ্যাবসলিউট চ্যালেঞ্জ (আমি চূড়ান্ত চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করছি)। তিনি এটা প্রমাণ করতে পারলে আমি তাকে মেডেল দেব পারসোনালি।
ইসলামী ব্যাংকের রুরাল ডেভেলপমেন্ট স্কিমের (আরডিএস) অর্থায়ন নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যে কথা বলেছেন, সেটাও নাকচ করেন জামায়াতের আমির। তিনি বলেন, ‘আরডিএস কোনো দলের নয়, কোনো ধর্মেরও নয়। উনি ১১ হাজার কোটি টাকার একটা রেফারেন্স দিয়েছেন। কে নিয়েছে এটা? আমি, আমার সহকর্মীরা যদি এ রকম হয়, দলের ফান্ডে যদি এক টাকাও আসে...। আমি বলব সার্চলাইট দিয়ে এইটা তালাশ করে আমাদের বিরুদ্ধেও যেন ব্যবস্থা নেয়া হয়।’
এস আলমের নাম উল্লেখ না করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘এই ব্যাংক থেকে উনি একাই তার নিজের নামেই নিয়েছেন ৮২ হাজার কোটি টাকা। আর তার সমুদয় শেয়ার যেগুলো তিনি কিনে ৮২ পার্সেন্টের (শতাংশ) মালিক হয়ে গিয়েছেন, এগুলোর মূল্য হচ্ছে মাত্র ১২ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ তিনি কইয়ের তেল দিয়ে শুধু কই ভাজেন নাই, কইও ভেজেছেন, শোল মাছও ভেজেছেন এবং সবগুলো ব্যাংক থেকে ডাকাতি করা টাকা।’
জামায়াতের আমির বলেন, ‘ব্যাংকটাকে ধ্বংস করেছেন শেখ হাসিনা। এস আলমকে তার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে আমরা এখন স্পষ্টত দেখতে পাচ্ছি সেই এস আলমকে আবার ফিরে আসার পথ করা হচ্ছে।’
সম্পাদক ও প্রকাশক: এস আর নিরব। Office: ২০৫/৪, খান প্লাজা, (লিফটে ৭ রুম নং -৯ সি) ফকিরাপুল, কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা ১০০০, Mobil: 01713-086019
ই-পেপার