এম,এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টার:
বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় হাইওয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও হয়রানির অভিযোগ তুলে বগুড়া-নাটোর মহাসড়ক অবরোধ করেছেন সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকরা। রবিবার (৭ জুন ২০২৬) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে উপজেলার জামাদারপুকুর এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে চালকদের সঙ্গে আলোচনা শেষে অবরোধ প্রত্যাহার করা হলে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ করেই শতাধিক অটোরিকশা মহাসড়কের ওপর রেখে চালকরা বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় তারা হাইওয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং কথিত চাঁদাবাজির প্রতিবাদ জানান। অবরোধের কারণে সড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে যাত্রীবাহী বাস, ট্রাক, পণ্যবাহী যানসহ সহস্রাধিক যানবাহন আটকা পড়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।
বিক্ষোভকারী চালকদের অভিযোগ, নন্দীগ্রাম এলাকার অটোরিকশা চালকদের কাছ থেকে কোনো ধরনের অর্থ দাবি করা না হলেও শাজাহানপুর এলাকার চালকদের মাসিক ৫০০ টাকা করে দিতে বলা হয়েছে। তারা এ দাবিকে অযৌক্তিক উল্লেখ করে এর প্রতিবাদে মহাসড়কে অবস্থান নেন। চালকদের দাবি, সড়কে নির্বিঘ্নে চলাচলের নামে তাদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।
খবর পেয়ে শাজাহানপুর থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে চালকদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের অভিযোগ ও দাবিগুলো শোনেন পুলিশ কর্মকর্তারা।
শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশিক ইকবাল বলেন, অবরোধের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে চালকদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। আলোচনায় জানা যায়, অতীতে মাসিক ভিত্তিতে অর্থ আদায়ের অভিযোগ থাকলেও বর্তমানে এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটছে না। মূলত রেজিস্ট্রেশনবিহীন অটোরিকশা চলাচলকে কেন্দ্র করে হাইওয়ে পুলিশ ও চালকদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছিল। আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান হয়েছে এবং পরে চালকরা স্বেচ্ছায় অবরোধ প্রত্যাহার করেন।
এ ঘটনায় এলাকায় সাময়িক উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও প্রশাসনের উদ্যোগে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়। তবে চালকদের উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এস আর নিরব। Office: ২০৫/৪, খান প্লাজা, (লিফটে ৭ রুম নং -৯ সি) ফকিরাপুল, কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা ১০০০, Mobil: 01713-086019