প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ৭, ২০২৬, ২:০৪ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুন ১, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
নড়িয়ায় রয়েল মাঝির অবৈধ বালু উত্তোলন, ভাঙনের শঙ্কায় লক্ষাধিক বসতভিটা।

শরীয়তপুর প্রতিনিধিঃ
শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার পদ্মা নদীতে টেন্ডারের শর্ত লঙ্ঘন করে অবৈধ ও অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আহমেদ রয়েল মাঝির বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিদিন অসংখ্য ড্রেজার দিয়ে নদীর তলদেশ থেকে বালু তোলা হচ্ছে, এতে নদীভাঙনের ঝুঁকি বাড়ছে এবং লক্ষাধিক মানুষের বসতভিটা হুমকির মুখে পড়েছে।স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে পদ্মা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে ২৫/৩০ টি ড্রেজার মেশিন দিয়ে দিন-রাত বালু উত্তোলন করা হচ্ছে । এতে নদীর গতিপথ পরিবর্তন এবং নদীর ডান তীর রক্ষা বাঁধ ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এলাকাবাসীর আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে নড়িয়া পৌরসভাসহ আশপাশের কয়েকটি ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ জনপদ নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে।
স্থানীয় সূত্র জানাযায় , এর আগে ভয়াবহ নদীভাঙন থেকে এলাকা রক্ষায় সরকার বিপুল ব্যয়ে নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করে। তবে বর্তমানে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের কারণে সেই বাঁধ নতুন করে হুমকির মুখে পড়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, চরআত্রা, নওয়াপাড়া, সুরেশ্বর, কেদারপুরসহ আশপাশের এলাকায় দিন-রাত ড্রেজার দিয়ে বালু তোলা হচ্ছে। উত্তোলন করা বালু বাল্কহেডের মাধ্যমে বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দারা বলেন, অতীতে একাধিকবার নদীভাঙনে ঘরবাড়ি ও জমিজমা হারিয়েছেন তারা। নতুন করে বালু উত্তোলনের কারণে আবারও ভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটছে।
অভিযোগের বিষয়ে নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আহমেদ রয়েল মাঝি, মুঠো ফোনে এই ব্যাপারে কথা বলতে রাজি হয়নি।
এ বিষয়ে নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবদুল কাইয়ুম খান বলেন, প্রভাবশালী একটি মহলের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে জেলা প্রশাসনের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এস আর নিরব। Office: ২০৫/৪, খান প্লাজা, (লিফটে ৭ রুম নং -৯ সি) ফকিরাপুল, কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা ১০০০, Mobil: 01713-086019
ই-পেপার