PriyoKhobor-PNG
রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, সকাল ১০:২৯
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ট্যুরিজম
  12. দেশজুড়ে
  13. ধর্ম
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাসের খবর
শিরোনাম :

মাসের পর মাস অনুপস্থিত উপজেলা বন কর্মকর্তা   

দৈনিক গণআওয়াজ
মে ১১, ২০২৬ ৯:৪৩ অপরাহ্ণ
| 96
Link Copied!

কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধিঃ

 কয়রা উপজেলা সামাজিক বনায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে মাসের পর মাস বন্ধ রয়েছে । দীর্ঘদিন ধরে অফিসে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর উপস্থিতি না থাকায় উপজেলায় সামাজিক বন বিভাগের কার্যক্রম কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, কয়রা উপজেলা সামাজিক বনায়ন কর্মকর্তা ফরেস্টার মো: জহিরুল হক ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে এ স্টেশনে যোগদান করেন।

তবে যোগদানের পর থেকেই তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে খুলনায় অবস্থান করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। মাঝে মধ্যে অফিসে আসেন প্ল্যান্টেশন মালী জামাল হোসেন। এছাড়া উপজেলা মাসিক সমন্বয় সভাতেও দীর্ঘদিন ধরে ওই কর্মকর্তার অনুপস্থিতির অভিযোগ রয়েছে।

সম্প্রতি কয়রা উপজেলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধ নির্মাণকাজে নদীর তীরবর্তী চর বনায়ন ও বাঁধের ঢালে বিভিন্ন গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। বন বিভাগের তদারকির অভাবে সামাজিক বনায়নের আওতাধীন একাধিক বনাঞ্চল উজাড় হয়ে গেছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। একই সাথে নজরদারির অভাবে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অবৈধ করাতকলও গড়ে উঠেছে।

এসব বিষয়ে অভিযোগ জানাতে গিয়ে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতারা বারবার তালাবদ্ধ কার্যালয় দেখে ফিরে আসেন। তারা জানান, উপজেলা সামাজিক বনায়ন কর্মকর্তাকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি কল রিসিভ করেন না।

গত দুই সপ্তাহ ধরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা সামাজিক বনায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের মূল ফটকে তালা ঝুলছে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় তালায় মরিচা পড়ে গেছে।

এ বিষয়ে প্ল্যান্টেশন মালী জামাল হোসেন মুঠোফোনে বলেন, ‘আমার স্ত্রী অসুস্থ থাকায় আমি বাড়িতে আছি। জহিরুল স্যারকে ফোন দিলে তিনি ধরেন না।

কয়রা উপজেলার সুন্দরবন ও পরিবেশ সুরক্ষা পরিষদের সভাপতি এবং ইউপি সদস্য আবু হাসান সরদার বলেন, ‘সামাজিক বনায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে বারবার গিয়েও তালাবদ্ধ অবস্থায় ফিরে আসতে হয়েছে। মাসের পর মাস অফিস বন্ধ থাকলেও কেন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না, তা বোধগম্য নয়। লবণাক্ত এ অঞ্চলে অবাধে বনভূমি ধ্বংস হওয়ায় জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে।’

কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আব্দুল্লাহ আল বাকী বলেন, ‘তার নাকি জেলায় কাজ থাকে। বিষয়টি নিয়ে তাকে ডাকা হবে।’

খুলনা সামাজিক বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক(অঃদাঃ) সুপ্রিয়া হুই বলেন, ‘সে অ্যাডিক্টেড, তাকে ফোন দিলে রিসিভ করে না। আমি তাকে বারবার বলেছি কর্মস্থলে থাকতে।সে কথা না শুনলে কি করতে পারি।

আরও পড়ুনঃ  নারায়ণগঞ্জ আইন কলেজের উন্নত মানের ভবনের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কাছে প্রত্যাশা এবং আইন কলেজে ছাত্র ফোরামের ঐক্য ধরে রাখার ডাক।
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • BD IT HOST

  • আপনার এলাকার খবর খুঁজুন

    খুঁজুন
  • Design & Developed by: BD IT HOST