এম, এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার শেরপুর উপজেলা-এর গাড়িদহ এলাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের পাশের সড়ক পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে পড়ছেন স্কুলগামী শিক্ষার্থী, পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। কাদা ও হাঁটুপানি মাড়িয়ে প্রতিদিন চলাচল করতে হচ্ছে তাদের।
বৃহস্পতিবার (৭ মে ২০২৬) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, পল্লী উন্নয়ন একাডেমি স্কুল সংলগ্ন মহাসড়কের পাশের নিচু এলাকাগুলো বৃষ্টির পানিতে ডুবে আছে। কোথাও কোথাও হাঁটুপানি জমে রয়েছে। কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় পানি দীর্ঘসময় আটকে থাকছে। এতে আশপাশের বাড়িঘর ও দোকানপাটেও পানি ঢুকে পড়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো এলাকা ছোট জলাশয়ের মতো হয়ে যায়। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ে শিক্ষার্থী ও বৃদ্ধরা।
স্কুলছাত্র আরিফ বলেন,
“স্কুলে যেতে পুরো রাস্তা পানিতে ডুবে থাকে। অনেক সময় জুতা হাতে নিয়ে যেতে হয়। কাপড়ও নষ্ট হয়ে যায়।”
একই অভিযোগ করে স্কুলছাত্রী সুরাইয়া বলে,
“বৃষ্টির দিনে স্কুলে যেতে খুব কষ্ট হয়। কাদা-পানিতে পড়ে যাওয়ার ভয় থাকে সবসময়।”
স্থানীয় বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম, রাশেদুল হক স্বপন, আলতাব হোসেন ও মুন্না জানান, মহাসড়ক নির্মাণের পর থেকেই এলাকায় পানি নিষ্কাশনের সমস্যা দেখা দিয়েছে। বছরের পর বছর পার হলেও স্থায়ী কোনো সমাধান হয়নি। সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে পুরো এলাকা কার্যত অচল হয়ে পড়ে।
তাদের দাবি, দ্রুত কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা চালু না করলে বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।
এদিকে মহাসড়কের পাশের মসজিদে নামাজ আদায় করতে আসা মুসল্লিদেরও কাদা ও পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন তারা।
এ বিষয়ে শেরপুর সড়ক উপ-বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) শেখ রুহুল আজম বলেন,
“গাড়িদহ এলাকায় জলাবদ্ধতার বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। পানি নিষ্কাশনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দ্রুত সমস্যার সমাধানে কাজ চলছে।”
সম্পাদক ও প্রকাশক: এস আর নিরব। Office: ২০৫/৪, খান প্লাজা, (লিফটে ৭ রুম নং -৯ সি) ফকিরাপুল, কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা ১০০০, Mobil: 01713-086019