PriyoKhobor-PNG
শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, সকাল ৬:১৯
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ট্যুরিজম
  12. দেশজুড়ে
  13. ধর্ম
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাসের খবর

৭ মার্চের ভাষণ বাজিয়ে গ্রেপ্তার হাওয়া ইমি কারামুক্ত

গনআওয়াজ অনলাইন ডেক্সঃ
মে ৭, ২০২৬ ৬:২৩ অপরাহ্ণ
| 92
Link Copied!

ঢাকায় শাহবাগ থানার সামনে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বাজাতে গিয়ে মারধর ও হেনস্তার শিকার হওয়ার পর গ্রেপ্তার ‘স্লোগান ৭১’ এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন।

গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার মোছা. কাওয়ালিন নাহার বলেন, বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ৩টার দিকে ইমি মুক্ত হয়েছেন।

এর আগে তার জামিনের কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছালে তা যাচাই-বাছাই করা হয়।৩০ এপ্রিল বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাই কোর্ট বেঞ্চ তাকে জামিনের আদেশ দেন।৭ মার্চ রাতে রাজধানীর শাহবাগ থানার সামনে ভাষণ বাজানোর সময় ইমিকে আটক করা হয়। পরদিন ৮ মার্চ তাকেসহ তিনজনকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠায় ঢাকার মহানগর হাকিম জুয়েল রানার আদালত।

চানখাঁরপুল মোড়ে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাজাতে গিয়ে দুজন আটক হন। তাদের মধ্যে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আসিফ আহমেদ। অন্যজন মাইক অপারেটর।এই দুজনকে আটকের প্রতিবাদে সেদিনই রিকশায় করে মাইকে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাজানোর কর্মসূচি দিয়েছিলেন ইমিসহ কয়েকজন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-ডাকসু নির্বাচনে বাম সংগঠনগুলোর ‘প্রতিরোধ পর্ষদ’ প্যানেল থেকে ভিপি প্রার্থী ছিলেন ইমি।

রাত সাড়ে ৯টায় কর্মসূচি শুরু হয়, এরপর রাত ১০টার দিকে কয়েকজন এসে তাদের মাইক ও ব্যাটারি ভেঙে ফেলে। এসময় আয়োজকরা বাধা দিলে হাতাহাতি হয়।হাতাহাতির পর ইমিসহ অন্যরা জাদুঘরের সামনেই থেকে যান। এর মধ্যে রাত সাড়ে ১০টার দিকে সেখানে যান ডাকসু ও জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীরা।পরে ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মোসাদ্দেক ইবনে আলী মোহাম্মদ ও সমাজসেবা সম্পাদক এ বি জুবায়ের রিকশাটি টেনে শাহবাগ থানার ভেতরে নিয়ে যান।

এসময় ইমির সঙ্গে থাকা মামুনকে ছাত্রলীগ তকমা দিয়ে টেনে-হিঁচড়ে থানার ফটকে নিয়ে মারধর করা হয়। মারধর করা হয় ইমিকেও।জুলাই অভ্যুত্থানের পর মামুন সার্জেন্ট জহুরুল হক হল শাখা ছাত্রলীগের কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছিলেন।ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীরা ধরে ইমি ও মামুনকে টেনে-হিঁচড়ে শাহবাগ থানার ভেতরে নিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।পরদিন ইমিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা করে শাহবাগ থানা পুলিশ।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, আসামিরা ‘মসজিদের দিকে মুখ করে লাউড স্পিকারে উস্কানিমূলক স্লোগান দেন’। তারা ‘সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রের’ উদ্দেশ্যে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কার্যক্রম ‘সচল’ করার চেষ্টা করেন।এছাড়া তাদের বিরুদ্ধে পুলিশের কাজে বাধা ও থানা হেফাজত থেকে আসিফ আহমেদকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ওই ঘটনার সময় ডাকসু প্রতিনিধি এ বি যুবায়ের এবং মোহাম্মদ মোসাদ্দেকের নেতৃত্বে একদল শিক্ষার্থী আব্দুল আল মামুন ও শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।

আরও পড়ুনঃ  এস আলমের লুটপাট ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বোয়ালমারীতে ইসলামি ব্যাংকের সচেতন গ্রাহকদের মানববন্ধন
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • BD IT HOST

  • আপনার এলাকার খবর খুঁজুন

    খুঁজুন
  • Design & Developed by: BD IT HOST