মোঃ রাসেদুজ্জামান শুভ || স্টাফ রিপোর্টার
সাড়ে নয় বছর ধরে একটি মামলার পেছনে ঘুরছেন ৬৭ বছর বয়সী নুরুল ইসলাম। এখন পর্যন্ত মামলার তারিখ পড়েছে ৬০টি। তবু ন্যায়বিচার পাননি।
চট্টগ্রাম নগরের পাহাড়তলীর সাগরিকা এলাকার বাসিন্দা নুরুল ইসলাম একসময় কোস্টাল সি ফুডস লিমিটেডে এক্সপোর্ট ম্যানেজার হিসেবে চাকরি করতেন। ২০১৬ সালে অসুস্থতা ও পারিবারিক কারণে চাকরি ছাড়ার পর বকেয়া বেতন, প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, ঈদ বোনাসসহ বিভিন্ন পাওনা আদায়ের জন্য চট্টগ্রামের প্রথম শ্রম আদালতে মামলা করেন। কিন্তু এখনও রায় পাননি।
নুরুল ইসলাম বলেন, “মামলার তারিখ পড়েছে ৬০টি। সাড়ে নয় বছর ধরে আদালতে ঘুরছি। গ্রামের বাড়ি পটিয়া থেকে প্রতিবার চট্টগ্রামে এসে হাজিরা দিই। মামলার খরচে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছি। এখন অন্তত মৃত্যুর আগে ন্যায়বিচারটা পাই।”
শ্রম আদালতে বিচার বিলম্বের চিত্র
চট্টগ্রামের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রম আদালতে বর্তমানে প্রায় আড়াই হাজারের বেশি মামলা বিচারাধীন। আইন অনুসারে শ্রম আদালতের মামলা ১৫০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তা বছরের পর বছর ঝুলে থাকে। বিবাদীপক্ষের সময় আবেদন, সমন জারিতে দেরি, সাক্ষ্য গ্রহণে বিলম্ব—এসব কারণে মামলা দীর্ঘায়িত হয়।
নুরুল ইসলামের আইনজীবী এস এম সাহাব উদ্দিন জানান, ধার্য তারিখে বারবার সময় নেওয়া এবং দীর্ঘ ব্যবধানে নতুন তারিখ পড়ায় মামলা দীর্ঘায়িত হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এস আর নিরব। Office: ২০৫/৪, খান প্লাজা, (লিফটে ৭ রুম নং -৯ সি) ফকিরাপুল, কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা ১০০০, Mobil: 01713-086019