ডিএম ফাহিমুর রহমান, রাজবাড়ী প্রতিনিধিঃ
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া পুরাভিটা নামক এলাকায় জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের বিশেষ অভিযান চলেছে। রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম গোয়ালন্দ উপজেলা প্রশাসনকে ৭ দিনের মধ্যে মাদক নির্মুলের জন্য নির্দেশ দেন। এ ঘটনার পর রাজবাড়ী জেলা মাদক নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর নড়েচড়ে বসেছে। মাদকের হাট এখন মানব শূণ্য। চারিদিকে মাদক বিক্রেতারা গাঁ ঢাঁকা দিয়েছে। দীর্ঘদিন মাসোহারা দিয়ে প্রকাশ্যে দিবারাতে লক্ষ লক্ষ টাকার হিরোইন, গাঁজা, ইয়াবা, ফেন্সিডিল প্রভৃতি মাদক বেচা-কেনা চলতো। বার বার পুরাভিটায় লোক দেখানো অভিযানও চলতো। তবে রুই, কাতলা মাদক ব্যবসায়ী সব সময় ধরা ছোঁয়া বাইরে ছিলো। থানা পুলিশের কতিথ ক্যাশিয়ার মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে যোগাযোগ করে অভিযানের পূর্বেই মোবাইলে তাদেরকে সতর্ক করে দিতো। পাইকারী মাদক ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর, রোজি, সাথী, গোলাম মোস্তফা, সুমি আক্তার, শেফালী, মৌসুমি, দুখিনি, শাহানাজ, সাহিদা প্রমুখ মাদক ব্যবসায়ী মাদক বিক্রি করে এখন কোটিপতি। তাদের অনেকেই প্রাইভেটকারে রাজবাড়ী কোর্টে হাজিরা দিতে যায়। রাজবাড়ী মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু আব্দুল্লাহ জাহিদ জানান, তাদের অভিযান অব্যহত রয়েছে। মাদক দ্রব্য নির্মূলে কোন আপোষ নেই। যেখানে মাদক পাওয়া যাবে সেখানেই অভিযান চলবে। প্রতিমাসে গোয়ালন্দ থানা এলাকা থেকে ২০/২৫ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হচ্ছে। অতি সম্প্রতি দৌলতদিয়া পুরাভিটা এলাকা থেকে ১০ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। গোয়ালন্দ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুনতাসির হাসান খান ভ্রাম্যমান আদালতে প্রত্যেককে ১৪ দিনের কারাদন্ড ও ১শত টাকা করে জরিমানা করেন। এ ঘটনার পর শনিবার দুপুর পর্যন্ত দৌলতদিয়া এলাকায় কোন মাদক ব্যবসায়ীকে দেখা যায় নি। রাজবাড়ী জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের উপ পরিচালক আবু আব্দুল্লাহ জাহিদ জানান, তাদের নিকট মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা রয়েছে। পলাতক এ সকল মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যহত রয়েছে। ফলে অত্র এলাকায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতি হচ্ছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এস আর নিরব। Office: ২০৫/৪, খান প্লাজা, (লিফটে ৭ রুম নং -৯ সি) ফকিরাপুল, কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা ১০০০, Mobil: 01713-086019