PriyoKhobor-PNG
বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, রাত ১১:৪২
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ট্যুরিজম
  12. দেশজুড়ে
  13. ধর্ম
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাসের খবর

ধুনটে বাঙালি নদীর ভাঙনে দিশাহারা তীরবর্তী মানুষ, বিলীন হচ্ছে বসতভিটা ও ফসলি জমি

দৈনিক গণআওয়াজ
আগস্ট ২৫, ২০২৬ ৯:১২ অপরাহ্ণ
| 21
Link Copied!

‎ এম,এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ

‎বগুড়ার ধুনট উপজেলার কালেরপাড়া ইউনিয়নের হেউটনগর গ্রামে বাঙালি নদীর তীব্র ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন নদীতীরবর্তী বাসিন্দারা। প্রতিদিনই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি, ফসলি জমি, গাছপালাসহ মানুষের দীর্ঘদিনের স্মৃতি ও সম্পদ। ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটছে নদীর তীরের কয়েকটি গ্রামের মানুষের।মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট ২০২৬) বিকেলে সরেজমিনে হেউটনগর গ্রামের দক্ষিণপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বাঙালি নদীর তীরে বিভিন্ন স্থানে ভাঙনের চিত্র। কোথাও কোথাও নদীর পাড়ে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। এতে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বসতবাড়ি ও ফসলি জমি। ভাঙন অব্যাহত থাকলে অল্প সময়ের মধ্যেই আরও বেশ কিছু পরিবার ঘরবাড়ি হারানোর আশঙ্কা করছেন।‎স্থানীয় বাসিন্দা মো. মোজাফফর আলী প্রাং বলেন, “বাঙালি নদীর ভাঙনে আমরা দিশেহারা হয়ে পড়েছি। আমাদের বাপ-দাদার সম্পত্তির অনেকটাই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নদীতীরে বসবাস করায় সবসময় আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হয়। ইতোমধ্যে গ্রামের অনেক মানুষের বসতভিটা নদীতে চলে গেছে। ভাঙনের কবলে পড়ে অনেক পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়েছে।”‎হেউটনগর গ্রামের বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম মাস্টার বলেন, “অতি দ্রুত নদীর পাড় সংস্কার ও ভাঙন প্রতিরোধ করা না হলে আমাদের বাড়িঘরও নদীতে বিলীন হয়ে যাবে। পুরোনো বাড়িঘর নদীগর্ভে চলে যাওয়ার পর নতুন করে বাড়ি তৈরি করে বসবাস করছি। কিন্তু বর্তমানে ভাঙনের যে অবস্থা, তাতে এই বাড়িটিও আর রক্ষা পাবে কি না তা নিয়ে শঙ্কায় আছি। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি অনুরোধ জানাই।”‎স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বাঙালি নদীর ভাঙন চললেও স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ হয়ে উঠছে। ভাঙন রোধ করা না গেলে হেউটনগরসহ আশপাশের এলাকায় বসতভিটা ও কৃষিজমি হারিয়ে বহু পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।‎কালেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সাজ্জাদ হোসেন শিপন বলেন, “বাঙালি নদীর তীরের ভাঙন প্রতিরোধে বিষয়টি সংসদ সদস্যকে অবগত করা হয়েছে। তিনি দ্রুত ভাঙন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।”

এ বিষয়ে ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আরিফ উল্লাহ নিজামী বলেন, “হেউটনগর গ্রামের বাঙালি নদীর তীরের ভাঙন প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্রও পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।”

‎স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সাময়িকভাবে বালুর বস্তা ফেলে ভাঙন ঠেকানোর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্প গ্রহণ করা হোক। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভাঙনের বিস্তৃতি আরও বাড়বে এবং বহু পরিবার বসতভিটা হারিয়ে পথে বসার আশঙ্কা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বাজুয়ায় আব্দুল মান্নান খানের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল সম্পন্ন।
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • BD IT HOST

  • আপনার এলাকার খবর খুঁজুন

    খুঁজুন
  • Design & Developed by: BD IT HOST