প্রিন্ট এর তারিখঃ জুলাই ১২, ২০২৬, ১২:৩০ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুলাই ১১, ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ণ
পাইকগাছার খড়িয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরীর বিরুদ্ধে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ

পাইকগাছা ( খুলনা) প্রতিনিধি।।
পাইকগাছার খড়িয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী তুহিন ঢালীর বিরুদ্ধে দায়িত্ব অবহেলা সহ বিভিন্ন শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে। কর্মচারী তুহিন রাতে নিয়মিত স্কুলে থাকেন না এবং বহিরাগত লোকজনের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধান শিক্ষক সহ বেশিরভাগ শিক্ষকরা।
ঐতিহ্যবাহী নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯২ সালে উপজেলার লস্কর ইউনিয়নের খড়িয়ায় স্থাপিত হয়। বর্তমানে এ বিদ্যালয়ে দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছে। কর্মরত রয়েছেন ১১ জন শিক্ষক ও ৪ জন কর্মচারী। বিদ্যালয়ে কর্মচারী সংকট থাকায় নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্ন সহ অন্যান্য কাজ চরমভাবে ব্যহত হয়। নেই কোন অফিস সহায়ক এর অসুস্থ হয়ে আয়া মৃত্যুবরণ করায় বিপাকে রয়েছেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে নৈশপ্রহরী তুহিন ঢালীর বিরুদ্ধে রয়েছে গুরুতর দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ। শিক্ষকরা অভিযোগ করেন তুহিন নিয়মিত রাতে স্কুলে থাকে না। বেশিরভাগ সময় সন্ধ্যায় আলো জ্বালিয়ে চলে যায় আর আসে না। বিশেষ প্রয়োজন হলে ফোনে তাকে পাওয়া যায় না। মাঝে মধ্যে অফিস টাইমে কাজের কথা বললে অনিহা দেখায়। বেশি অনুরোধ করলে বহিরাগত লোকজনের স্কুল সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য করে স্কুলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে। তার আচার-আচরণ সন্তোষজনক নয় বলে জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেবদাস মন্ডল। তিনি বলেন স্কুলের প্রয়োজনে আমাদের সবাই কে মাঝে মধ্যে অতিরিক্ত কাজ করতে হয়। ২০২৩ সাল থেকে নৈশপ্রহরী হিসেবে অত্র বিদ্যালয়ে কর্মরত রয়েছে তুহিন ঢালী। শুরু থেকেই তার বিরুদ্ধে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি তার অতিরিক্ত কর্মঘণ্টা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাকে জড়িয়ে অপপ্রচার হয়েছে। এডহক কমিটি গঠন নিয়ে একটি মহল নৈশপ্রহরী তুহিন কে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে বলে প্রধান শিক্ষক অভিযোগ করেন।
এ প্রসঙ্গে নৈশপ্রহরী তুহিন বলেন আমি চাকরির শুরু থেকে যথাযথ ভাবে দায়িত্ব পালন করে আসছি। স্কুলটি ফাঁকা জায়গায় হওয়ায় রাতে এখানে ভয় রয়েছে। এরপর ও সবকিছু উপেক্ষা করে রাতের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করি। এছাড়া অফিস টাইমে ও কাজ করি। আমার কর্মঘণ্টা নিয়ে যেটা প্রচার করা হয়েছে এর সাথে আমার কোন সংশ্লিষ্টতা নেই এবং দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ সঠিক নয় বলে তিনি দাবি করেন।
চাকুরি বিধি অনুযায়ী বিদ্যালয়ে যার-যার দায়িত্ব এবং কর্তব্য সঠিকভাবে পালন করলে শিক্ষক ও কর্মচারীদের মধ্যে মতপার্থক্য বা দুরত্ব থাকার কথা না এমনটাই বলছেন সচেতন মহল।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এস আর নিরব। Office: ২০৫/৪, খান প্লাজা, (লিফটে ৭ রুম নং -৯ সি) ফকিরাপুল, কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা ১০০০, Mobil: 01713-086019
ই-পেপার